দ্বাদশ আউলিয়ার কথা
। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির শ্রেষ্ট রাসুলুল্লাহ ( সাঃ ) এর ওয়ারেসের | মধ্যে আউলিয়ায়ে কিরাম ও উলামায়ে ইজামের ওয়াসিলায় আমার সত্যপথের আলােকে সাংবিধানিক সূত্র পেয়েছি । এতে তরিকৃতের চিত্তারঞ্জক সাধনায় সুনামধন্য সুলতানুল আউলিয়াদের মধ্যে বন্দেগী সৈয়দ সা নাসির উদ্দিন সিপাহসালার রাহমাতুল্লাহের বিবরন । “ আইনই - আকবরি ” তে প্রকাশ পায় । উনার সঙ্গী সাথীদের মধ্যে । যে বারজন আউলিয়া তরফ বিজয়ে এসে ছিলেন , তারা ধৰ্ম্ম । প্রচারের দায়ে স্থানান্তরে গমন করেন । তবে তাদের পরিপূর্ন ইতিহাস প্রনয়ন করা সম্ভব নয় । যেহেতু , সত্যের দিশারীতে কথিত ও লিখিত তাৎপৰ্য ব্যতীত স্বীয় পিতার জীবন চিত্র অংকিত করা যায়না । এতে ব্যতিক্রম দর্শীতায় মনগড়া যুক্তিবাদে অসারতার প্রমান দেয় । তৎকালীন সময়েতে আউলিয়াদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা কারিদের চক্ষের পর্দায় যে সকল বাধার সৃষ্টি করেছিল , তা সমূলে উৎপাটন হয়েছে উনাদের অলৌকিক কান্ড বা কেরামতীর নিদর্শনে । । | ইবাদত বন্দেগীর মধ্যদিয়ে সৃষ্টির শান্তিকল্পে তত্বজ্ঞানী এই মহান ব্যক্তিরা ধর্ম প্রচারে পারদর্শী ছিলেন । তাঁদের তন্ত্রীতে অহংকার পেরিয়ে বিনম্রতার আহ্বান ছিল । যেহেতু আত্মগৌরবের । ক্যানভাসে রিয়ার সামঞ্জস্য বর্ধক উদাসীনতার সঞ্চার হয় । এতে ইত্তেহাদীর পশরায় তাদের জাহের ও বাতেনের প্রভাব তুষিতে পতিত হতাে মানুষের অন্তরায় । তা - ই - তাে আধ্যাত্মিকতার দীপ্তিতে এই মহান আত্মাদের কর্মময় জীবনে অকৃত্রিম অনুরাগের সুরলহরীতে শান্তিবানীর আওয়াজ ছিল সৰ্ব্বদায় । প্রতিনিয়ত কামালাতে রিসালাত ও উলল আজমের বসবর্তীতায় হার্ষাকাতে কাইউমিয়াতের সম্পরকে
। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির শ্রেষ্ট রাসুলুল্লাহ ( সাঃ ) এর ওয়ারেসের | মধ্যে আউলিয়ায়ে কিরাম ও উলামায়ে ইজামের ওয়াসিলায় আমার সত্যপথের আলােকে সাংবিধানিক সূত্র পেয়েছি । এতে তরিকৃতের চিত্তারঞ্জক সাধনায় সুনামধন্য সুলতানুল আউলিয়াদের মধ্যে বন্দেগী সৈয়দ সা নাসির উদ্দিন সিপাহসালার রাহমাতুল্লাহের বিবরন । “ আইনই - আকবরি ” তে প্রকাশ পায় । উনার সঙ্গী সাথীদের মধ্যে । যে বারজন আউলিয়া তরফ বিজয়ে এসে ছিলেন , তারা ধৰ্ম্ম । প্রচারের দায়ে স্থানান্তরে গমন করেন । তবে তাদের পরিপূর্ন ইতিহাস প্রনয়ন করা সম্ভব নয় । যেহেতু , সত্যের দিশারীতে কথিত ও লিখিত তাৎপৰ্য ব্যতীত স্বীয় পিতার জীবন চিত্র অংকিত করা যায়না । এতে ব্যতিক্রম দর্শীতায় মনগড়া যুক্তিবাদে অসারতার প্রমান দেয় । তৎকালীন সময়েতে আউলিয়াদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা কারিদের চক্ষের পর্দায় যে সকল বাধার সৃষ্টি করেছিল , তা সমূলে উৎপাটন হয়েছে উনাদের অলৌকিক কান্ড বা কেরামতীর নিদর্শনে । । | ইবাদত বন্দেগীর মধ্যদিয়ে সৃষ্টির শান্তিকল্পে তত্বজ্ঞানী এই মহান ব্যক্তিরা ধর্ম প্রচারে পারদর্শী ছিলেন । তাঁদের তন্ত্রীতে অহংকার পেরিয়ে বিনম্রতার আহ্বান ছিল । যেহেতু আত্মগৌরবের । ক্যানভাসে রিয়ার সামঞ্জস্য বর্ধক উদাসীনতার সঞ্চার হয় । এতে ইত্তেহাদীর পশরায় তাদের জাহের ও বাতেনের প্রভাব তুষিতে পতিত হতাে মানুষের অন্তরায় । তা - ই - তাে আধ্যাত্মিকতার দীপ্তিতে এই মহান আত্মাদের কর্মময় জীবনে অকৃত্রিম অনুরাগের সুরলহরীতে শান্তিবানীর আওয়াজ ছিল সৰ্ব্বদায় । প্রতিনিয়ত কামালাতে রিসালাত ও উলল আজমের বসবর্তীতায় হার্ষাকাতে কাইউমিয়াতের সম্পরকে

0 Comments:
Post a Comment